এই বয়সে পরিবারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে ছোট্ট এই খুদে

গত বছর থেকেই করোনার ভাইরাস মানুষের শরীরের পাশাপাশি জীবন ও জীবিকাতে উল্লেখযোগ্যভাবে হস্তক্ষেপ করেছে। করোনা ভাইরাস সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রত্যেককে লকডাউনের কঠোরতা গ্রহণ করতেও বাধ্য করেছে। একদিকে যেমন টিকে থাকার লড়াই, অন্যদিকে না খেয়ে বাঁচার লড়াই।

আপনি যদি শিয়ালদা থেকে দক্ষিণে যান তবে আপনি দেখতে পাবেন ১২-১৩ বছরের একটি ছোট শিশু মুখোশ বিক্রি করছে। তবে মুখোশ বিক্রির পাশাপাশি আপনি মাঝে মাঝে তাকে চানা মশলা বিক্রি করতেও দেখবেন। বর্তমানে রেল স্টেশন পুরোপুরি খালি, তাই মুষ্টিমেয় গ্রাহকদেরও দেখা যায় না। একবার ভেবে দেখুন, কীভাবে এই শিশুটির সংসার চলবে।কিভাবে সে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেবে।

যেবয়সে শিশুটির স্কুলে যাওয়ার কথা সেই বয়সে তাকে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। আমরা কি কখনও কংক্রিটের ঘরে বসে এই সমস্ত লোকের দিকে একবারও নজর রেখেছি? এই শিশুটইর নাম মোহাম্মদ নূর। বয়স ১২ বা ১৩। সে দুই পয়সা রোজগার করে পরিবারের কাছে অর্থ তুলে দেয়। জীবন তাকে চূড়ান্ত বাস্তবতায় নিয়ে আসে। এই বয়সে সে জীবনকে অনেক কাছের থেকে দেখেছে। লকডাউনের পরেও কি তাদের অসহায় অবস্থায় কোনও পরিবর্তন হবে? এই প্রশ্নটি সবার মনে ঘুরছে।

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

স্ত্রীর সঙ্গে হাঁপিয়ে গিয়েছেন, বিয়ের পর প্রথম বারের জন‍্য মুখ খুললেন অনির্বাণ
রোশন নয়, আবার নতুন ভাবে প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী শ্রাবস্তী
Oh My God!১ টাকার পুরনো নোট আপনাকে করবে লাখপতি, জানুন বিস্তারিত
দুটি অস্ত্রপ্রোচারের পরেও গ্রাজুয়েট, জানুন ঋতাভরীর কঠিন লড়াইয়ের গল্প
‘মহিলারা দাপিয়ে বাঁচতে জানে’, অভিনেত্রী থেকে Zomatoডেলিভারি
আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মজীবন অনুপ্রেরণা দেবে আপনাকেও
ফুটন্ত গরম তেলে নিজ হাত দিয়ে নেড়েচেড়ে ভাজেন বেগুনি, সমুচা
করোনা আক্রান্ত শ্বশুরকে পিঠে নিয়ে চিকিৎসার উদ্দেশে রওনা দিল বউমা
3 ফুট উচ্চতার আরতি প্রতিকূলতা পেরিয়ে ভারতের প্রথম বামন IAS অফিসার
জনপ্রিয় হিন্দি গানে তুমুল নাচলেন দুই সুন্দরী মহিলা পুলিশ, ভাইরাল ভিডিও