‘আমরা কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে পারছিনা, তাই দল ছেড়ে যাচ্ছে’ : দিলীপ

বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বড় জয় পেয়েছে তৃণমূল। বিজেপিকে পর্যদুস্থ করে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই বাংলায় দলবদলের উলটো স্রোত শুরু হয়েছে। একের পর এক নেতা বেসুরো গাইতে শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে ভোটের আগে যে সমস্ত তৃণমূল নেতা বিজেপিতে এসেছিলেন তারাও এখন মুখ ফিরিয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে দলে ফিরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। ফলে চরম অস্বস্তিতে বঙ্গ বিজেপি।

কিছু দিন আগেই ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন মুকুল। এরপরেই দলবদলের খেলা শুরু করে উত্তরবঙ্গে প্রথম ভাঙন ধরালেন তিনি। মুকুলের হাত ধরে তৃণমূলে নাম লেখালেন আলিপুরদুয়ার বিজেপির সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। বিজেপি ছাড়লেন আরও সাত নেতা। এবারের  নির্বাচনে আলিপুরদুয়ার জেলায় দারুন ফল করে বিজেপি। এবার সেখানেই ভাঙন। যা নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা।

বিজেপিতে এই ভাঙ্গনের পরিপ্রেক্ষিতে  দিলীপ ঘোষ বলেন, “যারা ভোটের আগে বিজেপিতে এসেছিলেন তারাই আবার দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। যারা বহু আগে থেকেই বিজেপিতে রয়েছেন তাঁরা দল বদল করেননি।আমরা আমাদের জয়লাভের বিষয়টি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছি। তাই পুরানো কর্মীরা হতাশ হলেও তাঁরা দলবদল করেননি। যাদের স্বার্থ পূরণ হয়নি তারাই দলবদল করছেন। সরকার যদি নিজে অত্যাচার করে তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে অসমর্থ হয়েছি, তাই অনেকেই দল ছেড়ে তৃণমূলে ঢুকছেন। আমরা তো তাদের জোর করে আটকে রাখতে পারিনা।”

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

‘নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে বিজেপি কর্মী’, বিস্ফোরক শুভেন্দু
তৃণমূল প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলেই হেরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা: শুভেন্দু
ঠাঁই নেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, রাজ্য যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা সৌমিত্রর
‘মানুষ বোকা নয়’, যশ-শ্রাবন্তী-পায়েলকে নিয়ে সমালোচনায় বিজেপি নেত্রী কাঞ্চনা
মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে বসে থাকুন, বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ জ্যোতিপ্রিয় র
আজ থেকে অধিবেশন, ভেবে চিন্তে আপাতত পদ্ম সারিতেই বসবেন মুকুল
হোয়াটসঅ্যাপ এর বার্তা ফাঁস করে ষড়যন্ত্রর প্রমাণ দিলেন দেবাংশু !
‘রাজ ভবনে কেন দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী?’রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তোপ তৃণমূলের
‘পরকীয়া’য় বেশি মন রাজ্যপালের, বিতর্কিত দাবি মদন মিত্রের
ভোটার সংখ্যা ৬৭৬, কিন্তু ভোট পড়ল ৭৯৯! নন্দীগ্রামের নথি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য