কেন্দ্রের তরফে বড় ঘোষনা লকডাউন নিয়ে

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় বেসামাল গোটা দেশ। মৃত্যুহার কম থাকলেও রোগীর সংখ্যা যে ভাবে বাড়ছে সেটা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। কোথাও কোথাও দৈনিক সংক্রমণের তিরিশ শতাংশে চলে গিয়েছে। গত কয়েকদিনের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে কোভিড মোকাবিলায় কড়া হওয়ার বার্তা দিল কেন্দ্র।

তারা  স্থানীয় কনটেনমেন্ট জোন গড়ার নির্দেশে দিয়েছে। যার অর্থ, এলাকাভিত্তিক লকডাউনের হাঁটতে চাইছে কেন্দ্র। রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে সব অঞ্চলে সংক্রমণের হার অত্যন্ত বেশি, সেগুলিকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে। বিশেষ নজর দিতে হবে যাতে সেখানে সংক্রমণের হার আর না বাড়তে পারে।

এক্ষেত্রে জেলা এবং শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দু’টি গুরুত্বপূর্ণ দিকের কথা বলা হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের একটি হল, যদি এক সপ্তাহের সংক্রমণের হার ১০ শতাংশের ওপরে থাকা এবং দ্বিতীয়, হাসপাতালগুলিতে ৬০ শতাংশের বেশি রোগী অক্সিজেন সাপোর্টে কিংবা আইসিইউয়ে চিকিৎসাধীন থাকেন, তা হলে সেই জেলাগুলিতে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে। স্থানীয় কনটেনমেন্ট জোনের কথা ভাবতে হবে। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে এই জেলাগুলিতে ১৪ দিনের জন্য কড়া নজরদারি চালাতে হবে।

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

ঠাঁই নেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, রাজ্য যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা সৌমিত্রর
হোয়াটসঅ্যাপ এর বার্তা ফাঁস করে ষড়যন্ত্রর প্রমাণ দিলেন দেবাংশু !
‘রাজ ভবনে কেন দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী?’রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তোপ তৃণমূলের
১৫০টির বেশি পরিবারের হাতে ত্রান তুলে দিলেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি
পাগল ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে কেউ বিশ্বাস করেননা - মমতাকে ফের আক্রমণ দিলীপের
‘কালো কুকুর চিৎকার করে’, ধনখড় প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্য মদন মিত্রের
"কে সুজাতা? কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেই। পাগলের মত সবসময় বকে যায়।"-বৈশাখী
‘আমরা কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে পারছিনা, তাই দল ছেড়ে যাচ্ছে’ : দিলীপ
কালিয়াচক কাণ্ডে নয়া মোড়! ক্রমশ রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে
বাংলায় চাকরি নেই, তাই মানুষ গুজরাত-মহারাষ্ট্রে ছুটছে: দিলীপ