ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে নাম নথিভুক্ত করল নদিয়ার শান্তিপুরের সুমন

২৬টি সর্ষে দানার উপর ইংরেজি বর্ণমালা লিখে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে নাম নথিভুক্ত করল নদিয়ার শান্তিপুরের দশম শ্রেণীর ছাত্র সুমন কর। নদিয়ার শান্তিপুর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা সুমন। তন্তুবায় সংঘ হাই স্কুলের দশম শ্রেণীর এই ছাত্রের ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার ফাঁকে সৃজনশীল কাজের প্রতি ঝোঁক। এর আগেও বাঁশের টুকরো, কাঠের টুকরো, মাটি এবং গৃহস্থলীর ফেলে দেওয়া বিভিন্ন জিনিস পুনর্ব্যবহার করে অসাধারণ শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তুলেছিল সে।

পরিবারও তার পাশে থেকেছে বরাবর।গত বছর জানুয়ারি মাসে দাদা সুপ্রিয়র কথায় ২৬ টি সর্ষে দানার উপর ইংরেজি বর্ণমালার A থেকে Z পর্যন্ত অক্ষর সুঁচের ডগায় ফেব্রিক হোয়াইট রং দিয়ে লিখতে সমর্থ হয়েছে সুমন। সেই ছবিই মোবাইলে তুলে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে আবেদন করেছিল সুমন। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে তা অনুমোদন পায় এবং এপ্রিল মাসের ২ তারিখে শংসাপত্র, দুটি স্টিকার, মেডেল, ব্যাচ পেন এবং একটি রেকর্ড হোল্ডারদের বই পুরস্কার হিসেবে পায় সে।

সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য এই মুহূর্তে শিল্পকর্মে মন দেওয়া সম্ভব না হলেও, পরীক্ষার পর শিল্পকর্মের দিকে মন দিতে চায় সে। সুমনের বাবা পেশায় একজন কাপড়ের ব্যবসায়ী। তিনি জানান, ছেলের পাশে রয়েছেন তিনি। সুমনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে শুরু করে এলাকার বিশিষ্টজনেরা। ইতিমধ্যেই নদিয়ার শান্তিপুরের বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুমনকে সংবর্ধনা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। একজন নদিয়াবাসী হিসেবে সত্যি খুব খুশির খবর।

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

ঠাঁই নেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, রাজ্য যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা সৌমিত্রর
হোয়াটসঅ্যাপ এর বার্তা ফাঁস করে ষড়যন্ত্রর প্রমাণ দিলেন দেবাংশু !
‘রাজ ভবনে কেন দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী?’রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তোপ তৃণমূলের
১৫০টির বেশি পরিবারের হাতে ত্রান তুলে দিলেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি
পাগল ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে কেউ বিশ্বাস করেননা - মমতাকে ফের আক্রমণ দিলীপের
‘কালো কুকুর চিৎকার করে’, ধনখড় প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্য মদন মিত্রের
"কে সুজাতা? কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেই। পাগলের মত সবসময় বকে যায়।"-বৈশাখী
‘আমরা কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে পারছিনা, তাই দল ছেড়ে যাচ্ছে’ : দিলীপ
কালিয়াচক কাণ্ডে নয়া মোড়! ক্রমশ রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে
বাংলায় চাকরি নেই, তাই মানুষ গুজরাত-মহারাষ্ট্রে ছুটছে: দিলীপ