করোনা নির্মূলে ২০২২ পর্যন্ত প্রয়োজন সোশ্যাল ডিস্টানসিং, বলছে গবেষণা

নিজস্ব প্রতিবেদন: আপাতত সারা বিশ্ব লকডাউনের সময়সীমা বাড়িয়ে করোনা মোকাবিলার কাজে নেমেছে। তবে কতদিন চলবে এই লকডাউন তা কোনো দেশের সরকার সঠিকভাবে বলতে পারছে না।পরিস্থিতির উপর নজর রেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।এরকম এক অবস্থায় নতুন চিন্তার খবর দিল হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।মঙ্গলবার হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পত্রে এমনই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষনায় বলা হয়েছে সারা বিশ্বে করোনা সম্পূর্ণ নির্মূল করতে  ২০২২ সাল পর্যন্ত সোশ্যাল ডিস্টানসিং-এর প্রয়োজন হতে পারে। এখনই সোশ্যাল ডিস্টানসিং-এর উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে  সংক্রমণের চেহারা মারাত্মক হতে পারে। এর আগে ইউনিভার্সিটি অফ হংকংয়ের প্রফেসর জোসেফ চিনে করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের উপর গবেষণায়য় উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে জানিয়েছেন, যদি আস্তে আস্তে লকডাউন না তোলার পরিবর্তে  হঠাৎ লকডাউন তুলে দেওয়া হয়  তবে করোনা সংক্রমনের গতি বৃদ্ধি পেতে পারে।

আসলে যেহেতু এখনও করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয় নি।তাই পুনরায় সবকিছু আগের মতো হলে ভাইরাস সংক্রমন হওয়াটাই স্বাভাবিক।আর যেহেতু ভ্যাকসিন আবিস্কারের পরেও কমপক্ষে তার সমস্ত পরীক্ষা ও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে কমপক্ষে ১৮ মাস অর্থাৎ দেড়বছর সময় লাগবে তাই করোনা সম্পূর্ণ আটকাতে কমপক্ষে দেড় বছরের লকডাউন প্রয়োজন।আর কমপক্ষে ২০২২ পর্যন্ত প্রয়োজন সোশ্যাল ডিস্টানসিং।