নতুন রুপে চালু প্রচেষ্টা প্রকল্প, জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি

সমর্পিতা বন্দ্যোপাধ্যায়:  এদিন আবার ও নবান্ন থেকে ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্পটি সংশোধিত রূপে  কার্যকরী করা হল। এই প্রকল্পের আওতায় কারা আসবেন সেটা রাজ‍্য সরকার দ্বারা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে এককালীন ১০০০ টাকা পেতে পারেন । যেমন ধরুন,যিনি পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা । অথবা পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি । পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন প্রকার পেনশন প্রকল্প যেমন- বার্ধক্যভাতা, বিধবাভাতা, অক্ষমতাভাতা ইত্যাদী এবং SSY প্রকল্পের এবং MGNREGA (১০০ দিনের কাজ) প্রকল্পের সুবিধা পান না শুধুমাত্র তেমন ব্যাক্তি ই এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন। পরিবারের মধ্যে শুধুমাত্র একজন ই দরখাস্ত করতে পারবেন । তবে কৃষি কাজে সাথে যুক্ত কোনো এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না।

জেলার ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহরাঞ্চলে এস. ডি. ও এবং গ্রামাঞ্চলে বি. ডি. ও , যারা দরখাস্ত গ্রহণ করবেন, তারা পরীক্ষা ও যাচাই করবেন – দরখাস্তকারী বা দরখাস্তকারিনী করোনা মহামারীজনিত কারণে লকডাউনের ফলে প্রকৃতপক্ষে কাজ হারিয়েছেন কিনা, তার অন্য কোন আয়ের উৎস যদি না থাকে এবং আর্থিকভাবে চূড়ান্তভাবে পীড়িত কিনা ইত্যাদি । উপরের সমস্ত বিষয়গুলি বিবেচনার পর তারা যদি মনে করেন – দরখাস্তকারী বা দরখাস্তকারিনী আর্থিকভাবে চূড়ান্তভাবে পীড়িত তাহলে, তার দরখাস্ত বিবেচিত হবে বলে জানানো হয়েছে । এদিন আবার ও নবান্ন থেকে ‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্পটি সংশোধিত রূপে আবার কার্যকরী হলো। এই প্রকল্পের আওতায় কারা আসবেন সেটা রাজ‍্য সরকার দ্বারা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে এককালীন ১০০০ টাকা পেতে পারেন ।যেমন ধরুন,যিনি পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা । অথবা পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোন প্রকার পেনশন প্রকল্প যেমন- বার্ধক্যভাতা, বিধবাভাতা, অক্ষমতাভাতা ইত্যাদী এবং SSY প্রকল্পের এবং MGNREGA (১০০ দিনের কাজ) প্রকল্পের সুবিধা পান না শুধুমাত্র তেমন ব্যাক্তি ই এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন। পরিবারের মধ্যে শুধুমাত্র একজন ই দরখাস্ত করতে পারবেন । তবে কৃষি কাজে সাথে যুক্ত কোনো এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না। জেলার ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শহরাঞ্চলে এস. ডি. ও এবং গ্রামাঞ্চলে বি. ডি. ও , যারা দরখাস্ত গ্রহণ করবেন, তারা পরীক্ষা ও যাচাই করবেন – দরখাস্তকারী বা দরখাস্তকারিনী করোনা মহামারীজনিত কারণে লকডাউনের ফলে প্রকৃতপক্ষে কাজ হারিয়েছেন কিনা, তার অন্য কোন আয়ের উৎস যদি না থাকে এবং আর্থিকভাবে চূড়ান্তভাবে পীড়িত কিনা ইত্যাদি । উপরের সমস্ত বিষয়গুলি বিবেচনার পর তারা যদি মনে করেন – দরখাস্তকারী বা দরখাস্তকারিনী আর্থিকভাবে চূড়ান্তভাবে পীড়িত তাহলে, তার দরখাস্ত বিবেচিত হবে । তবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে যে গবীর মানুষ গুলো টাকা পাবেন তাদের হয়তো এই দুর্দশার দিনে কিছুটা হলেও উপকৃত হবে আশাবাদী সরকার ।

 

You may Like this:

CESC'র সঙ্গে মমতার 13000 কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ মুকুলের
আমফান বিপর্যয় মোকাবেলায় মমতা নয়, মোদির উপর আস্থা অধীরের
আসছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল, রাজ্যকে আরও আর্থিক সহায়তা কেন্দ্রের
যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, রাজরোষে বন্ধ কলকাতা নিউজ! জানাল চ্যানেল কর্তৃপক্ষ
চোখ রাঙাচ্ছে আমফান, ২১ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি !
অভিনব উদ্যেগ, যাদবপুরে বিনা পয়সায় চালু সিপিএমের সব্জি বাজার
ভোট হলেই পরিযায়ীরা মূখ্যমন্ত্রীকে বহিস্কার করবে, বিস্ফোরক ভারতী
মূখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় অনুদান খরচের হিসাব দেন না, অভিযোগ দিলিপের
সিপিএমের কাছে শেষ পর্যন্ত মাথা নোয়াতে বাধ্য হল নব্বান্ন
কোলকাতায় শুরু হতে চলেছে মেট্রো পরিষেবা