পদ্ম ছেড়ে জোড়াফুলে মুকুল, ‘বিজেপির সঙ্গে সহবাসে ছিলেন’, কটাক্ষ শ্রীলেখার

শুক্রবার সকাল থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়। সপুত্র ‘পদ্ম-পরিচয়’ ত্যাগ করে জোড়াফুল-বাগানে প্রত্যাবর্তন করতে চলেছেন সর্ব ভারতীয় বিজেপির সহ-সভাপতি মুকুল রায়, সেই জল্পনা ছিল তুঙ্গে। অবশেষে বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ তৃণমূল ভবনে সেই জল্পনার অবসান ঘটে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , সর্বভারতীয় তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ‘ঘর ওয়াপসি’ ঘটে মুকুল এবং তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের। প্রায় সাড়ে তিন বছর নয় মাস পর প্রাক্তন দলের কাছে ফিরতে পেরে বেজায় খুশি কৃষ্ণননগরের বিজেপি বিধায়ক।

আর মুকুলের প্রত্যাবর্তন নিয়ে যখন সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে তুমুল হইচই, সেই হাওয়াতে গা ভাসালেন শ্রীলেখা মিত্রও। বামপন্থী মনোভাবাপন্ন অভিনেত্রী তিনি। একুশের বিধানসভা ভোটপ্রচারের সময় থেকেই কলকাতা তথা দক্ষিণবঙ্গের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত বাম শিবিরের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন। বিজেপি কিংবা রাজ্যের শাসকদলের কর্মকাণ্ডতেও তাঁর আতসকাঁচ রীতিমতো ‘ফোকাসড’ সর্বক্ষণ।

অতঃপর সমালোচনা করতেও পিছপা হন না তিনি কখনও। এবার মুকুল রায়ের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক বোমা ফাটালেন শ্রীলেখা মিত্র। মুকুলকে উদ্দেশ্য করে অভিনেত্রীর পোস্ট, “বিজেপিতে আমি এতদিন যোগদান করিনি। বিজেপির সাথে লিভ-ইন এ ছিলাম।” এই পোস্ট যদিও শ্রীলেখার নিজের লেখা নয়। সংগৃহীতই। তবে  নায়িকার পোস্টে শোরগোল  সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে। কারণ, তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান প্রসঙ্গ টেনে এনেই মুকুল রায়কে বিদ্রুপ করা হয়েছে পোস্টে।

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

‘নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে বিজেপি কর্মী’, বিস্ফোরক শুভেন্দু
তৃণমূল প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলেই হেরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা: শুভেন্দু
ঠাঁই নেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, রাজ্য যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা সৌমিত্রর
‘মানুষ বোকা নয়’, যশ-শ্রাবন্তী-পায়েলকে নিয়ে সমালোচনায় বিজেপি নেত্রী কাঞ্চনা
মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে বসে থাকুন, বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ জ্যোতিপ্রিয় র
আজ থেকে অধিবেশন, ভেবে চিন্তে আপাতত পদ্ম সারিতেই বসবেন মুকুল
হোয়াটসঅ্যাপ এর বার্তা ফাঁস করে ষড়যন্ত্রর প্রমাণ দিলেন দেবাংশু !
‘রাজ ভবনে কেন দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী?’রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তোপ তৃণমূলের
‘পরকীয়া’য় বেশি মন রাজ্যপালের, বিতর্কিত দাবি মদন মিত্রের
ভোটার সংখ্যা ৬৭৬, কিন্তু ভোট পড়ল ৭৯৯! নন্দীগ্রামের নথি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য