তৃণমূল প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলেই হেরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা: শুভেন্দু

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হাইভোল্টেজ ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে। ওই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাকে পরাস্ত করেছেন তৃণমূলের দুর্দিনের সৈনিক বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। হেরেও মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসীন হয়েছেন মমতা।যা নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। নিয়ম অনুসারে শপথের ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত হতে হবে মমতাকে। রাজ্যের সাত কেন্দ্রে উপ নির্বাচন বাকি রয়েছে। ওই সকল উপ নির্বাচন দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছে তৃণমূল। যা নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

নন্দীগ্রামের বিধায়ক দাবি করেছেন যে হেরেও মুখ্যমন্ত্রীর গদি ধরে রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে এটা সম্ভব হতো না। তৃণমূল কংগ্রেস একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলেই ওই কাজ করতে পেরেছেন মমতা। এই প্রসঙ্গে উত্তরাখণ্ডের উদাহরণ টেনে এনেছেন শুভেন্দু। ওই রাজ্যে পরাস্ত প্রার্থীকে বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসীন করা হয়নি।শুভেন্দুর কথায়, “এত তাড়াহুড়ো কিসের? উত্তরাখণ্ডে তো বিজেপির কোনও পরাজিত ব্যক্তিকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়নি।” সেই সঙ্গে শুভেন্দুর আরও প্রশ্ন, “পরাজিত প্রার্থীকে কেন মুখ্যমন্ত্রী করা হল? ২১০ থেকে ২১২ জন জয়ী বিধায়ক ছিল। তাঁদের কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করা গেল না? প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে!”

শুক্রবার হুগলি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পার্টি অফিসে দলীয় কার্যকারীনি বৈঠকে কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই হাজির ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরাস্ত হওয়া হুগলি লোকসভার সাতটি বিধানসভা ভোট নিয়ে পর্যালোচনা ও আগামীতে দলের রাজনৈতিক রণকৌশল স্থির করতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই বৈঠক। সেই বোইঠের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওই মন্তব্য করেন শুভেন্দু।মূলত হুগলি সাংগঠনিক জেলার সকল জেলা পদাধিকারী মোর্চা সভাপতি ও মন্ডল সভাপতিদের নিয়ে এই বৈঠক সম্পন্ন হয়। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সকল কর্মীদের এই বৈঠকে ডাকা যায় নি। ভার্চুয়াল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সকল মন্ডল স্তরের কর্মীদের এই বৈঠকে সামিল করা হয়েছিলো। চুঁচুড়ায় হুগলি সাংগঠনিক জেলা পার্টি অফিসে এদিন এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।মূলত হুগলি সাংগঠনিক জেলার সকল জেলা পদাধিকারী মোর্চা সভাপতি ও মন্ডল সভাপতিদের নিয়ে এই বৈঠক সম্পন্ন হয়। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সকল কর্মীদের এই বৈঠকে ডাকা যায় নি। ভার্চুয়াল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সকল মন্ডল স্তরের কর্মীদের এই বৈঠকে সামিল করা হয়েছিলো। চুঁচুড়ায় হুগলি সাংগঠনিক জেলা পার্টি অফিসে এদিন এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

‘নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে বিজেপি কর্মী’, বিস্ফোরক শুভেন্দু
ঠাঁই নেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, রাজ্য যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা সৌমিত্রর
‘মানুষ বোকা নয়’, যশ-শ্রাবন্তী-পায়েলকে নিয়ে সমালোচনায় বিজেপি নেত্রী কাঞ্চনা
মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে বসে থাকুন, বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ জ্যোতিপ্রিয় র
আজ থেকে অধিবেশন, ভেবে চিন্তে আপাতত পদ্ম সারিতেই বসবেন মুকুল
হোয়াটসঅ্যাপ এর বার্তা ফাঁস করে ষড়যন্ত্রর প্রমাণ দিলেন দেবাংশু !
‘রাজ ভবনে কেন দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী?’রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তোপ তৃণমূলের
‘পরকীয়া’য় বেশি মন রাজ্যপালের, বিতর্কিত দাবি মদন মিত্রের
ভোটার সংখ্যা ৬৭৬, কিন্তু ভোট পড়ল ৭৯৯! নন্দীগ্রামের নথি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য
কাজ করছে না পঞ্চায়েত! চন্দনা বললেন 'আমার হাতে ছেড়ে দিন আমি একাই সামলে নেব"