মুকুল আসাতে ফিরল পুরনো আড্ডা, আলুভাজা দিয়ে মুড়ি মাখলেন মমতা

আবারও দল বদল করলেন রাজ্য রাজনীতির চানক্য মুকুল রায়। তবে এবার গেরুয়া শিবির থেকে তৃণমূলে ফিরলেন তিনি। এ যেন আক্ষরিক অর্থে ঘরে ফেরা। আর দলে ফিরতেই তৃণমূল ভবনে প্রবীণ সতীর্থদের সাথে বসল জম-জমাট আড্ডা। আসলে শুক্রবার তৃণমূল ভবনে ঘটল পুনর্মিলন। আর সেই আড্ডায় নিজ হাতে মুড়ি মাখলেন  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুড়ির সাথে চলল অতীতের স্মৃতি চারণ।

শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রবেশের অল্প সময়ের মধ্যেই মুকুল রায়ের গাড়ি  প্রবেশ করেছিল তৃণমূল ভবনে।  মুকুল রায় দীর্ঘদিন পর নেত্রীকে দেখামাত্র প্রণাম করেন। এমনকি নেত্রীর পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ চেয়ে নেন মুকুল পুত্র। তৃণমূল ভবনে প্রায় সাড়ে তিন বছর পর পুনর্মিলনের চিত্র দেখা দিল। পার্থ চ্যাটার্জী, সুব্রত বক্সি, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গল্প শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মুকুলের শরীর ভাঙা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন নেত্রী।এছাড়াও মুকুলকে কাঁচরাপাড়া ছেড়ে সল্টলেকে তার পরিবারের সাথে থাকার পরামর্শ দেন।

এরপর বেলা সাড়ে ৪ টার দিকে মুকুলের সাথে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন তিনি। সাংবাদিকদের তিক্ত প্রশ্ন থেকে এদিন কার্যত মুকুলকে আড়াল করলেন তিনি। বললেন, “মুকুল পুরনো পরিবারের ছেলে। এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখিয়ে মুকুলকে নির্যাতন করা হয়েছে! নিজেও মানসিক শান্তি পেল। শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। মুখে বলতে পারত না। বিজেপি করা যায় না। বিজেপিতে যাঁরা আছে তাঁদের শোষণ এত বেশি। এত নির্মম! এরা মানুষকে মানবতার সাথে বাঁচতে দেয় না।

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

‘নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে বিজেপি কর্মী’, বিস্ফোরক শুভেন্দু
তৃণমূল প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলেই হেরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা: শুভেন্দু
ঠাঁই নেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, রাজ্য যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা সৌমিত্রর
‘মানুষ বোকা নয়’, যশ-শ্রাবন্তী-পায়েলকে নিয়ে সমালোচনায় বিজেপি নেত্রী কাঞ্চনা
মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে বসে থাকুন, বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ জ্যোতিপ্রিয় র
আজ থেকে অধিবেশন, ভেবে চিন্তে আপাতত পদ্ম সারিতেই বসবেন মুকুল
হোয়াটসঅ্যাপ এর বার্তা ফাঁস করে ষড়যন্ত্রর প্রমাণ দিলেন দেবাংশু !
‘রাজ ভবনে কেন দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী?’রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তোপ তৃণমূলের
‘পরকীয়া’য় বেশি মন রাজ্যপালের, বিতর্কিত দাবি মদন মিত্রের
ভোটার সংখ্যা ৬৭৬, কিন্তু ভোট পড়ল ৭৯৯! নন্দীগ্রামের নথি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য