মমতাকে তুলোধোনা করার পাশাপাশি,রেড ভলেন্টিয়ার্স দের‌ প্রশংসা শ্রীলেখার

করোনা সংক্রমণের জেরে বিপর্যস্ত গোটা দেশ। বাংলাতেও চিত্রটা প্রায় এক। করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অথচ চিকিৎসা পরিষেবা সবাইকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। হাসপাতালগুলিতে রয়েছে বেডের অভাব। অক্সিজেনের ঘাটতিও দেখা যাচ্ছে অনেক জায়গায়। এহেন পরিস্থিতিতে হাসপাতালে করোনা রোগীদের বেড না পাওয়া নিয়ে গর্জে উঠলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, ‘মানুষ মরে গেলে ২ লাখ টাকা করে না দিয়ে হাসপাতাল তৈরি করে দিন। সমস্ত পরিকাঠামো যুক্ত হাসপাতাল বানান। আইসক্রিম বেড যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। এত উন্নয়ন করছেন যে মানুষের এই দুঃসময়ে হাসপাতালে মিলছে না বেড’। এই কথার পর তা ট্যাগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে। এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে উন্নয়ন নিয়ে খোঁচা দেন শ্রীলেখা মিত্র। শ্রীলেখার মতে, উন্নয়ন যদি সত্যিই হতো তাহলে করোনা অতিমারীর সময়ে রাজ্যে হাসপাতালে বেড পাওয়া যেত। কিন্তু বেডের অভাব স্পষ্ট। মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। অথচ সরকার হাসপাতাল তৈরির বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে না।

এর পাশাপাশি শ্রীলেখা মিত্র করোনা অতিমারীর সময়ে বামেদের ছাত্র–যুবদের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়াসকে প্রশংসা করেন। রেড ভলান্টিয়ার্সদের পাশে তিনি সবসময় আছেন বলেও জানান। প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের সময় বামেদের হয়ে প্রচারেও সামিল হয়েছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। ভোট প্রচারের সময়ও তৃণমূল এবং বিজেপিকে নিশানা করতেন তিনি।

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

‘নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে বিজেপি কর্মী’, বিস্ফোরক শুভেন্দু
তৃণমূল প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলেই হেরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা: শুভেন্দু
ঠাঁই নেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, রাজ্য যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা সৌমিত্রর
‘মানুষ বোকা নয়’, যশ-শ্রাবন্তী-পায়েলকে নিয়ে সমালোচনায় বিজেপি নেত্রী কাঞ্চনা
মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে বসে থাকুন, বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ জ্যোতিপ্রিয় র
আজ থেকে অধিবেশন, ভেবে চিন্তে আপাতত পদ্ম সারিতেই বসবেন মুকুল
হোয়াটসঅ্যাপ এর বার্তা ফাঁস করে ষড়যন্ত্রর প্রমাণ দিলেন দেবাংশু !
‘রাজ ভবনে কেন দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী?’রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তোপ তৃণমূলের
‘পরকীয়া’য় বেশি মন রাজ্যপালের, বিতর্কিত দাবি মদন মিত্রের
ভোটার সংখ্যা ৬৭৬, কিন্তু ভোট পড়ল ৭৯৯! নন্দীগ্রামের নথি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য