ছাত্রদের বাহারি হেয়ার স্টাইল, শিক্ষা দিতে চুল কেটে দিলেন প্রধান শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদন:  স্কুলের ভিতর কাঁচি হাতে ঘুরছেন হেডমাস্টার। আর  মাথা লুকোতে ব্যস্ত ছাত্ররা।অবশেষে বেঞ্চের নিচ থেকে ছাত্রদের  বের করে খ্যাঁচ খ্যাঁচ করে কাঁচি চালালেন প্রধান শিক্ষক। মঙ্গলবার এমনই কাঁচি অভিযানের সাক্ষী থাকল নলহাটির লোহাপুর স্কুলের পড়ুয়ারা। অবশ্য  স্কুলের এই সিদ্ধান্তে খুশি অভিভাবকরা।

স্কুলের তরফে স্কুলের শৃঙ্খলা ফেরাতে আগেই অভিভাবকদের বিষয়টি নিয়ে সচেতন করা হয়েছিল।কাজ না হওয়ায় প্রধান শিক্ষক আবদুল হামিদ  নিজের হাতে কাঁচি উঠিয়ে নিলেন ।এমনকি কাঁচি হাতে তিনি হুঙ্কারও দেন , রঙিন চুল নিয়ে স্কুলে আসা যাবে না। চুল স্পাইক করা যাবে না।তাঁর এই ফতোয়া অমান্য করলে একইভাবে ছেলেদের শিক্ষা দেবেন । প্রধান শিক্ষক বলেন, বাহারি ভাবে একজন স্কুলে চুল কেটে এলে, বিষয়টি বাকিদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। আগেই অভিভাবকদের  এবিষয়ে সতর্ক করেছিলাম। কাজ না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এমনটা  না হলে দিন দিন চুলের ফ্যাশানের প্রবণতা বেড়ে যাবে। তাই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।”

স্কুলের মধ্যে প্রধান শিক্ষক চুল কেটে দিলেও খুব একটা খুব একটা ক্ষোভ নেই ছাত্রদের মধ্যে। ছাত্ররা জানিয়েছে,  “আমরা চুল কেটে রং করিয়েছিলাম। প্রধান শিক্ষক কেটে দিয়েছে তাতে আমাদের কোন দুঃখ নেই। এভাবে আর চুল কাটব না।” একই সাথে  প্রধান শিক্ষকের এই সিদ্ধান্তে শিলমোহর দিয়েছেন অভিভাবকরা। তারা জানিয়েছেন, “প্রধান শিক্ষক সঠিক কাজ করেছেন। আমরা এতদিন পারিনি। তবে প্রধান শিক্ষক করে দেখিয়েছেন।”

chakdaha24x7
Author: chakdaha24x7