Corona Chakdaha

করোনা ভাইরাসের প্রভাব চাকদহে, আতঙ্কে সচেতন শহরবাসী

Corona Chakdaha

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারাদেশ জুড়ে Corona ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৭ জন।তবে মঙ্গলবার এ রাজ্যে প্রথম Corona ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলল শহর (kolkata) কলকাতায়  ।লন্ডন ফেরৎ  এক অষ্টাদশ বছরের যুবকে শরীরে মিলেছে Covid 19 । ফলে কলকাতার পাশাপাশি Chakdaha শহরেও করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এমনই দৃশ্য শুধু চাকদহে  (Chakdaha) নয়,  সারা রাজ্যে জুড়ে দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ মানুষই এই ভয়াবহ ভাইরাসের  প্রকোপ থেকে নিজেদের বাঁচতে আতঙ্কিত হয়ে মাস্ক ব্যবহার করছেন।

ফ্রেব্রুয়ারী থেকে এই করোনা ভারাসের প্রকোপ ভারতে দেখা দিলেও এ রাজ্যে বিগত কয়েকদিন ধরেই এই আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। কেননা যে সরকারি আমলার ছেলে এ রাজ্যে প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি আক্রান্ত হওয়ার পরেও বহু মানুষের সংস্পর্শে এসেছিলেন।মায়ের সঙ্গে ঘুরে বেড়িয়েছে বিভিন্ন স্থানে, গিয়েছিলেন সরকারি একটি অফিসে।এছাড়াও ওই যুবক নিজেই গিয়েছিলেন শপিং মলে।ফলে কার্যত সারা রাজ্যে জুড়ে এই ভাইরাসের সংক্রমন ছড়িয়ে পরার আশঙ্কা রয়েছে।তবে আশ্চর্য়ের বিষয় কি ধরনের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, কিভাবে পরতে হবে বা আদৌ এই মাস্ক ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ন কিনা সে ব্যাপারে চাকদহের অনেকেই সচেতন নয়।

এ বিষয়ে চাকদহে কিছু লোকের সঙ্গে আমাদের প্রতিনিধি দল কথা বললে তারা শোনাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কিছু টোটকা, যার অধিকাংশ তথ্যই ভুল।হয়তো আপনারা শুনলে অবাক হবেন বিশেষজ্ঞরা শুধু মাত্র করোনায় আক্রান্ত রোগীদের শুধু মাস্ক ব্যবহার করতে বলছেন যাতে অন্য কেউ সংক্রমিত না হয়।তাও আবার সাধারণ মাস্ক নয়, পরতে হবে সার্জিক্যাল মাস্ক বা এন৯৫ মাস্ক বা শ্বাসযন্ত্রের মাস্ক। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব আইওয়ার কলেজ অব মেডিসিনের মহামারি ও মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ এলি পেরেনসেভিচে জানিয়েছেন সুস্থ ব্যাক্তির মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই।সুস্থ ব্যাক্তি মাস্ক পরার পর করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেয়েছেন এমন কোনও প্রমাণ নেই। বরং সংক্রমনের ঝুকি আরও বেড়ে যায়।

কারন হিসাবে তিনি বলছেন, সুস্থ ব্যাক্তিদের মাস্ক ব্যবহারের পর বারবার মুখ স্পর্শ করার প্রবনতা থেকে যায়।এছাড়া এই মাস্ক ভুলভাবে পরছেন তারা।সত্যি বলতে মাস্ক গুলো এমনভাবে নকশা করা হয় যাতে হাঁচি-কাঁশির জীবাণু বাইরে বেড়িয়ে না আসতে পারে।তিনি আরও জানাচ্ছেন এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচার সবথেকে ভালো উপায় হল সাবান দিয়ে নিয়মিত আপনার হাত পরিষ্কার রাখা এবং স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়েই তবে মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করার অভ্যাস গড়ে তোলা। বাতাসের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায় না তবে করোনার জিবানুযুক্ত  দূষিত হাত দিয়ে মুখ অথবা ত্বক স্পর্শ করলে এই ভাইরাস শরীরের প্রবেশ করতে পারে।

 
0