লকডাউনে সম্পূর্ন বন্ধ মদের দোকান, শোকের ছায়া মাতাল মহলে

লকডাউন মানে পুরোপুরি লকডাউন। সেখানে মদের দোকানকেও কোনও ভাবে ছাড় নয়। কারণ তা জরুরি বা অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নয়। শনিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়  জানান, রবিবার থেকে টানা ১৫ দিন রাজ্যে সমস্ত মদের দোকান বন্ধ থাকবে। ফলে স্বাভাবিকভাবে এই ঘোষণার পর মাতাল মহলে হতাশা দেখা দেয়।

এর আগে লকডাউনে মদের দোকান বন্ধ থাকলেও মদ নিয়ে চলছিল কালোবাজারি।আর এই কালোবাজারি হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল কেননা চড়া দামে মদ কিনতে দ্বিধা করছিল না মদ্যপেরা। পরে সবদিক ভেবে রাজ্য সরকার মদের দোকান খোলায় ছাড় দেয়। কিন্তু দেখা যায়, মদের দোকানের বাইরে এত লম্বা লম্বা লাইন পড়েছে যে তাতে সামাজিক দূরত্ব শিকেয় উঠেছে। লকডাউনের উদ্দেশ্য হল, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙা। কিন্তু মদের দোকান খোলা রাখতে গিয়ে দেখা যায়, তা সম্ভব হচ্ছে না।

তাই এ বার কোনও ঝুঁকি নিল না সরকার।তবে মদের দোকান বন্ধ থাকলেও মিষ্টির দোকান সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।আর এইখানে প্রশ্ন তুলেছে মাতাল মহলের একাংশ। তারা বলেন, মিষ্টি তো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নয়। যদি মিষ্টির দোকান খোলা রাখা যায় তবে মদের দোকান নয় কেন ?  মুখ্য সচিব বলেন, মিষ্টির দোকানের সঙ্গে দুধ ও তার জোগানের সম্পর্ক রয়েছে। অনেকের জীবিকাও এর সঙ্গে জড়িত। তাই দিনে সীমিত সময়ের জন্য মিষ্টির দোকান খোলা থাকবে।

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

ঠাঁই নেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, রাজ্য যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা সৌমিত্রর
হোয়াটসঅ্যাপ এর বার্তা ফাঁস করে ষড়যন্ত্রর প্রমাণ দিলেন দেবাংশু !
‘রাজ ভবনে কেন দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী?’রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তোপ তৃণমূলের
১৫০টির বেশি পরিবারের হাতে ত্রান তুলে দিলেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি
পাগল ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে কেউ বিশ্বাস করেননা - মমতাকে ফের আক্রমণ দিলীপের
‘কালো কুকুর চিৎকার করে’, ধনখড় প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্য মদন মিত্রের
"কে সুজাতা? কোনো স্ট্যান্ডার্ড নেই। পাগলের মত সবসময় বকে যায়।"-বৈশাখী
‘আমরা কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে পারছিনা, তাই দল ছেড়ে যাচ্ছে’ : দিলীপ
কালিয়াচক কাণ্ডে নয়া মোড়! ক্রমশ রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে
বাংলায় চাকরি নেই, তাই মানুষ গুজরাত-মহারাষ্ট্রে ছুটছে: দিলীপ