দিলীপের পরিবর্তে বিজেপির সভাপতি পদে ‘বাংলার মেয়ে’কে চাইছে কেন্দ্র

এ বছরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে দিলিপ ঘোষের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বিজেপির সংবিধান অনুসারে, তার পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলস্বরূপ, বিজেপি নতুন রাজ্য সভাপতি পেতে চলেছে এমনটাই আশা করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় নেতারা রাজ্যকে সংগঠিত করার দায়িত্ব দলের মহিলা কোনো নেত্রীর হাতে দেওয়ার কথা ভাবছেন।রাজ্য সভাপতি হিসাবে দিলীপ ঘোষের মেয়াদ শেষ হচ্ছে এই বছরের ডিসেম্বরে। বিজেপির সংবিধান অনুযায়ী কোনো ব্যাক্তি সর্বোচ্চ পরপর দুবার অর্থাৎ ৬ বছরের জন্য সভাপতি পদে থাকতে পারেন।

দিলীপ ঘোষ ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বিজেপির সভাপতি হয়েছিলেন। বিজেপি ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে কোনও সাংগঠনিক রদবদল করেনি। ফলস্বরূপ, রাজ্য সভাপতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল্। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তিনি আবার সভাপতি নির্বাচিত হন। এ হিসাবে, দিলিপ ঘোষের জানুয়ারী ২০২৩ পর্যন্ত সভাপতি পদে থাকার কথা। তবে সভাপতির ৬ বছরের মেয়াদ এই বছরে ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দিলীপের পরিবর্তে রাজ্য বিজেপির সভাপতি কে হবে তা নিয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে। বিজেপি সূত্রের প্রাথমিক সংবাদ অনুসারে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ‘বাংলার মেয়ের’ বিরুদ্ধে ‘বাংলার মেয়েকেই’ চাইছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করা যেতে পারে।

বিজেপির একটি সূত্র মতে, দেবাশ্রী চৌধুরী এবং লকেট চ্যাটার্জী এই দুজনের নাম সভাপতি হিসাবে ভাবা হচ্ছে। দেবশ্রী রায়গঞ্জের সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। আসন্ন মন্ত্রিসভা রদবদলে তাকে সরিয়ে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এই সভাপতির নামের ক্ষেত্রে লকেট চ্যাটার্জিরও নাম রয়েছে। লকেট চ্যাটার্জী হুগলির সাংসদ এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য মহিলা ফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক। অতএব সংগঠন পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার আগে দেবশ্রীও রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিধানসভা ভোটে পারফরম্যান্সের বিচারে লকেট দেবাশ্রী চৌধুরীর থেকে একটু পিছনে। তিনি নিজেই বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়ে হেরে গেছেন। এমনকি  তার লোকসভা আসনে একটিও আসন জিততে পারেনি বিজেপি।

দেবশ্রী নির্বাচনে অংশ নেননি। ফলে জয়-পরাজয়ের প্রশ্নই আসে না। বিজেপি তার লোকসভা কেন্দ্র – রায়গঞ্জ ও কালিয়াগঞ্জের দুটি আসন জিতেছে। উপনির্বাচনে পরাজিত হয়ে গেরুয়া শিবির কালিয়াগঞ্জ ফিরে পেয়েছে। উল্লেখযোগ্য দেবশ্রীর পরিবার সক্রিয়ভাবে আরএসএসের সাথে যুক্ত। তিনি নিজেই সঙ্ঘের বাড়ির মেয়ে। স্বাভাবিকভাবেই, বিজেপির একটি অংশ রাজ্য সভাপতি হওয়ার প্রতিযোগিতায় লকেকেটের আগে দেবশ্রীকে রাখছে। বিজেপি মনে করছে, গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ মহিলা ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। সায়নী ঘোষের মতো তরুণ মুখও তৃণমূলের যুব দায়িত্বে এসেছে। স্বভাবতই, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ধারণা, সংগঠনের সম্মুখভাগে মহিলা নেত্রী আনা শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রভাব ফেলবে। তবে মহিলা সভাপতির বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

হ্যাঁ, আমি অনুদান দিতে ইচ্ছুক

    You May Like this Article
 

You May Like

‘নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে বিজেপি কর্মী’, বিস্ফোরক শুভেন্দু
তৃণমূল প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলেই হেরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা: শুভেন্দু
ঠাঁই নেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, রাজ্য যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা সৌমিত্রর
‘মানুষ বোকা নয়’, যশ-শ্রাবন্তী-পায়েলকে নিয়ে সমালোচনায় বিজেপি নেত্রী কাঞ্চনা
মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে বসে থাকুন, বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষ জ্যোতিপ্রিয় র
আজ থেকে অধিবেশন, ভেবে চিন্তে আপাতত পদ্ম সারিতেই বসবেন মুকুল
হোয়াটসঅ্যাপ এর বার্তা ফাঁস করে ষড়যন্ত্রর প্রমাণ দিলেন দেবাংশু !
‘রাজ ভবনে কেন দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী?’রাজ্যপালের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে তোপ তৃণমূলের
‘পরকীয়া’য় বেশি মন রাজ্যপালের, বিতর্কিত দাবি মদন মিত্রের
ভোটার সংখ্যা ৬৭৬, কিন্তু ভোট পড়ল ৭৯৯! নন্দীগ্রামের নথি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য