বুথে চাই দমদার কর্মী, নিজের চোখে দেখতে হবে, বঙ্গ BJPকে নির্দেশ শাহের

নিজস্ব প্রতিবেদন : জেপি নাড্ডাকে সর্বভারতীয় সভাপতি দায়িত্ব হস্তান্তর করলেও রশি এখনও অমিত শাহের হাতে।  ২০১৪ সালে উত্তরপ্রদেশে গেরুয়া ঝড় তুলেছিলেন বুথ স্তরে সংগঠনকে পোক্ত করে। আর তাই তিনি বুঝতে পারছেন বাংলায় বুথভিত্তিক সংগঠন না থাকলে কী পরিণতি হতে পারে। দিল্লির হার থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ, বুথ কমিটিতে কোনও জল মেশানো চলবে না। সচক্ষে বুথ কমিটির সদস্যদের দেখতে হবে নেতাদের। বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ডাকাবুকো কর্মীদের  দিতে হবে অগ্রাধিকার।

দিল্লিতে সাংসদ, নেতাদের নিয়ে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বিজেপি।  ভোটের হার বাড়লেও আসন সংখ্যায় লাভ হয়নি তাদের । গোলি মারো, শাহিনবাদ ও ভারত-পাকিস্তানের মতো মন্তব্য ভোটে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে বলে স্বীকার করে নিয়েছেন অমিত। দিল্লিতে ভোটের আগে ‘পঞ্চ পরমেশ্বর’ নামে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। ওই বৈঠকে প্রতি বুথ থেকে এসেছিলেন ৫ জন। কিন্তু ভোটের দিন বুথে তাঁদের দেখা মেলেনি। বাংলায় আর সেই ভুল করতে চায় না তারা।         

বাংলার সঙ্গে অন্যান্য রাজ্যের ভোটের পার্থক্য অনেক। এখানে বুথ স্তরে সংগঠন না থাকলে শুধু হাওয়ায় হাওয়ায় জেতা যায় না। তিনি এও জানেন, বুথ স্তরে জল মেশানোর প্রবণতা রয়েছে। তাই খাতায় কলমে নয়, বরং নেতাদের স্বচক্ষে দেখে বুথ কমিটির সদস্যদের নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । তবে যাকে তাকে বুথ কমিটিতে রাখা যাবেনা। শাসক দলের চোখে চোখ রাখতে পারে, এমন ‘দমদার’ কর্মী দরকার। 

প্রতিটি বুথের কর্মীদের ছবি-সহ তালিকা পাঠাতে হবে। কমিটি ঠিক কিনা তা যাচাই করবে নেতৃত্ব। প্রতিটি বুথ কমিটিতে রাখতে হবে সমাজের সব অংশের মানুষকে। ১০ মার্চের মধ্যে শেষ করতে হবে গোটা প্রক্রিয়া। কলকাতায় বসে নয়, বরং সংশ্লিষ্ট এলাকায় পৌঁছে গিয়ে বুথ কমিটির কাজকর্ম দেখতে হবে রাজ্য নেতাদের। বুথে রাতও কাটাতে হবে।

chakdaha24x7
Author: chakdaha24x7